অর্কিডের ভূবনে আপনাকে স্বাগতম!

অর্কিড ফুলের ছোঁয়ায় আপনার জীবন হোক আরও অর্থপূর্ণ ও নান্দনিক-শুভ সালাতিন

ছাদে বা বারান্দায় অর্কিড চাষ করবেন কিভাবে?

অর্কিডের ছোঁয়ায় আপনার গৃহকোন হোক নান্দনিক। অর্কিড পালন করতে চান, কিন্তু, কিভাবে শুরু করবেন? কি জাতের অর্কিড ভালো? কত দাম? রোগ-বালাই দুর করবেন কিভাবে? সার ও পানি দেওয়ার নিয়ম-কানুন ? সব প্রশ্নের উত্তর পাবেন এখানে...

অর্কিডের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ?

অর্কিডের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ কোনটা? কি জাতের অর্কিড সহজেই লালন পালন করা যায়? অর্কিড ঘর, টব, মিডিয়া কি ও কেন প্রয়োজন? অর্কিডের পাতা কেন হলুদ হয়ে যাচ্ছে কেন? কনফিউজড?? সমাধান এখন আপনার হাতের নাগালে..

অর্কিড পালন ? সেতো অনেক খরচের বিষয় !

আপনি কি জানেন ? একটি অর্কিড থেকে সহজেই একাধিক অর্কিড পেতে পারেন। এখানে পাচ্ছেন বীজ থেকে কিংবা কঁচি বাড থেকে নতুর অর্কিড উৎপাদনের কৌশল। আপনার সকল প্রশ্নের জবাব দেওয়ার জন্য আমি রয়েছি..

বুঁনো অর্কিডের খোঁজে

চলুন, ঘুরে আসি বাংলাদেশের পাহাড় আর জংগলে, যেখানে গাছের ডালে ঝুলে আছে অগণিত নমা না জানা অগণিত অর্কিড। এই বুনো অর্কিডের সৌন্দর্য আপনাকে শহুরের একঘেয়েমী জীবন থেকে একটানে তুলে নিয়ে যাবে সৌন্দর্যের এক অনাবিল ভূবনে। ফ্রেম বন্দি করবো অনিন্দ্য সুন্দর মুহূর্তগুলো। অর্কিডের ভূবনে আপনি স্বাগত !

Saturday, April 7, 2018

দেশী অর্কিড: রিনকসটাইলিস

দেশী অর্কিড:  রিনকসটাইলিস

এই অর্কিডের পাতা লম্বা ও সরু। ছড়া এক থেকে দেড় হাত ঝুলে থাকে। গাছের গা বেয়ে ৫/৬টি ছড়া নামে। ফুলের পাপড়ি সাদা, গোলাপীর ভিতর বেগুনি ফুটকি দেওয়া থাকে। এটাকে ফক্সটেইল অর্কিডও বলা হয়ে থাকে। সংস্কৃতিতে এই ফুল দ্রৌপদী মালা নামেও পরিচিত। বাংলাদেশের সিলেট, চট্টগ্রাম,ময়মনসিংহ ও দিনাজপুরের বনে এই অর্কিড গাছের ডালে ঝুলে থাকে।

রিনকসটাইলিস কমলা, গাঢ় লাল,হলুদ ও বেগুনী রঙের হতে পারে। মায়ানমার, ব্যাংকক,ভারতের আসাম রাজ্য,সিংগাপুরে এই ফুল প্রচুর ফোটে।

 মার্চ ও এপ্রিলে ফুল আসে।

Thursday, April 5, 2018

দেশী অর্কিড-পিয়ারারডি

 বাংলাদেশের অনেক জায়গায় বিশেষ করে চট্টগ্রাম ও সিলেটে বড় বড় রেইনট্রি বা বহুবর্ষজীবি গাছগুলোতে এই অর্কিডগুলো ঝুলে থাকতে দেখা যায়। 

পাতা চিকন ও ডাল সরু ও লম্বা । শীতকালে ডালে কোন পাতা থাকে না। বর্ষাকালে নতুন পাতায় ভরে যায় ডাল। বসন্তকালে ফুলে ফুলে ভরে যায় লম্বা ডালগুলো । ছোট ছোট ফুলগুলোর সৌন্দর্য অতুলনীয়। গোলাপী ও হাল্কা গোলাপী রঙের এই ফুল আকৃষ্ট করে সবাইকে। 

এই অর্কিডগুলো বাড়ির প্রবেশ পথে ঝুলিয়ে রাখতে পারেন। অতুলনীয় সৌন্দর্যে আপনাকে এবং আপনার অতিথিকে স্বাগত জানাবে এই অর্কিড। তাছাড়া হোটেল, দোকান-এই অর্কিড শোভা বর্ধন করে।

গাছের ডালে ঝুলিয়ে দিলে, কিংবা নারকেলের ছোবা, টবে, বাস্কেটে রাখলে বর্ষাকালে শিকড় গাছের ডাল, নারকেলের ছোবা, বাষ্কেট আঁকড়ে ধরে গাছের শক্তি বাড়ায়।
খোয়া বা কাঠ কয়লার প্রয়োজন হয় না। টব বা বাস্কেটে রাখলে অবল্বনের জন্য প্রয়োজন হয়। বসন্তকালে ফুলে ফুলে ভরে যাবে ডালগুলো।


এই অর্কিড ভারতের হিমালয়, নেপাল,ভূটান ও দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোর বনে বনে  পাওয়া যায়।
অর্কিডের যতœ: পানি ও সার নিয়মিত দিলে ফুল টিকে অনেকদিন। ফুলে পানি দিলে ফুল নষ্ট হয়ে যায় তাড়াতাড়ি। পানি স্প্রে করতে হবে শিকড়ে,ফুলে নয়। ফুল ঝরে গেলে লম্বা ছড়াগুলো কাটবেন না। বসন্তের শেষে বৃষ্টিতে ছড়াগুলোতে নতুন চাড়া গজাবে শিকড়সহ।

চারাগাছ শিকড়সহ গাছের ডালে বেঁধে দিলে সারা বর্ষাজুড়ে বড় হবে ও বসন্তে ফুলে ফুলে ভরে যাবে।

Monday, March 19, 2018

অনসোডিয়াম

এই অর্কিড ফুলটি আমাদের দেশী নয়। অর্কিডটি এসেছে মধ্য ও দক্ষিণ আমেরিকা থেকে। প্রায় ৩০০ প্রজাতির অনসোডিয়াম আছে।  বাংলাদেশে যে প্রজাতির অনসোডিয়াম বেশী দেখা যায়,সেটির ফুল হলুদ বর্ণের। একেকটি ফুল কাছ থেকে দেখলে মনে হয় যেন হলুদ ঘাগড়া পড়া নৃত্যরত কিশোরী। ইংরেজীতে এই অর্কিডের একটি চমৎকার নাম আছে-‘ড্যান্সিডল’। থাইল্যান্ডে এই ফুলের ডিজাইন অনুসরণ করে ইমিটেশনের বা সোনার গহনা তৈরী করা হয়।


১৮-২০ মাস বয়সী গাছে ফুল আসতে শুরু করে। পুষ্পদন্ডগুলো সরু ও লম্বা। প্রতিটি পুষ্পদন্ডে  ২০থেকে ৩০ টি ছোট ছোট ফুল ধরে। সঠিকভাবে পরিচর্যা করলে ১০-১২ সপ্তাহ পর পর ফুল আসে।

আলো : উজ্জল ও  ইন-ডাইরেক্ট আলো প্রয়োজন ।  খোলা জানালার পাশে রাখতে পারেন। জায়গা না থাকলে ঘরের ভিতর কৃত্রিম আলোতেও ভালো থাকে।

পানি:  গাছ বাড়ার সময় মধ্যম মানের আদ্রতা প্রয়োজন। অতিরিক্ত পানি দেওয়া যাবে না

অনসোডিয়াম জাতের অন্যান্য ফুলগুলো হলোঃ

1. Oncidium Taka
2. Oncidium Larn Ceanum
3.Oncidium Pulchellum
4.Oncidium Caeser ( Roman flower)

দক্ষিণ আমেরিকায় লাল, খয়েরী,বেগুনী ও গোলাপী অর্কিড দেখা যায়। 

Saturday, December 3, 2016

অর্কিড বিষয়ক প্রশ্ন ও উত্তর

অর্কিড বিষয়ক প্রশ্ন ও উত্তর

১. ঘরে কোথায় অর্কিড রাখা ভালো?
অর্কিড রাখতে হয় ঘরের ভিতরে জানালার পাশে। দক্ষিণ কিংবা পূর্বমুখী জানালা বেশী উপকারী। পশ্চিমমুখী জানালায় সাধারণত বিকেলের দিকে গরম অনূভুত হয় আর উত্তররর জানালা বেশ অন্ধকার থাকে। জানালায় পর্দা থাকা ভালো, এতে মাত্রা সহনীয় থাকে। অতিরিক্ত আলোয় পাতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়- তাই ঋতুভেদে অর্কিড গাছের অব®হান পরিবর্তন করা বাঞ্ছনীয়। গাছকে জানালার কাছে বা দুরে সরিয়ে আলোর তারতম্য ঘটানো যায়। মনে রাখতে হবে অর্কিডের পাতা যেন জানালার গ্লাসকে স্পর্শ না করে। শীতকালে অর্কিডের পাতা জানালা স্পর্শ করলে জমে যেতে পারে।

পাতার রঙ দেখে বোঝা যায় গাছটি সঠিক আলো পাচ্ছে কি না? পাতার রঙ যদি গাঢ় সবুজ হয় তাহলে গাছটি পর্যাপ্ত আলো পা্েছ না। ঘাসের মতো সবুজ রঙ ( হাল্কা অথবা মিডিয়াম সবুজ সাথে হলদে আভা ) হলে বুঝতে হবে অর্কিড গাছটি ফুল ফোটাঁনোর জন্য পর্যাপ্ত আলো পাচ্ছে।

২. অর্কিডে কিভাবে পানি দিব?

অর্কিডে অতিরিক্ত পানি দেওয়ার চেয়ে খুব কম মাত্রায় দেওয়া ভালো । অতিরিক্ত পানিতে শিকড় পচে যায়। অতিরিক্ত পানির ফলে গাছের পাতা ঝরে যেতে পারে এমনকি অর্কিড গাছটি মরেও যেতে পারে। সবচেয়ে প্রচলিত মতে গাছ শুকিয়ে যাওয়ার এক দিন পূর্বে পানি দিনর্।  শুষ্ক অর্কিডসহ টবের ওজন সাধারণত কম হবে ভেজা থাকার চেয়ে। ভেজা ও শুকনো টবের ওজন ভালোভাবে বুঝতে পারলে পানি দেওয়া সহজ হয়। একটি পেন্সিল চোখা করে ছেঁচে নিন এবং পেন্সিলটি টবের ভিতর মিডিয়াতে ঢুকিয়ে দিয়ে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। যদি পেন্সিলসহ শীশটি আর্দ্র মনে হয়, তাহলে পানির প্রয়োজন নেই। টবের মিডিয়ামের ভিতর হাত দিলে যদি আর্দ্রতা অনূভূত হয়, তাহলে পানি দেওয়ার প্রয়োজন নাই।

সকালে পানি দেওয়া সবচেয়ে ভালো। সকালে পানি দিলে সারাদিনে গাছটি পযাপ্ত পানি টেনে নিবে এবং দিনের তাপমাত্রায় অতিরিক্ত পানি তাপে শোষিত হবে। রাতে পানি দেওয়া উচিৎ নয়। এতে ফাঙাসের উপদ্রব হতে পারে। ঘরের তাপমাত্রা যদি বেশী হয় এবং আর্দ্রতা কম হয় (সাধারণত গ্রীষ্মকালে) তাহলে বেশ কয়েকবার পানি দেওয়া যেতে পারে। ঘওে পালিত অর্কিডের ক্ষেত্রে টবসহ অর্কিডটি রান্না ঘরের সিংকে মিনিট সাতেক ডুবিয়ে রেখে তুলে ফেলুন।

কিভাবে ভালো অর্কিড কিনবো?

একটি অর্কিড কেনার সময় যেসব বিষয়ে বিশেষ লক্ষ্য রাখতে হবে সেগুলো হলো:-
(১) মিডিয়াতে অর্কিডটির শিকঁড় থাকতে হবে। গাছটি যেন মিড়িয়াতে শক্তভাবে দাড়িয়ে থাকে। চারা কেনার চেয়ে কলিসহ ফুল ফোঁটা অর্কিড গাছ কেনা ভালো। পাতার রঙ মধ্যম সবুজ কিনা দেখতে হবে। দৃশ্যমান কীট-পতংগমুক্ত হতে হবে।

(২) ফুল যেন টাটকা থাকে । ফাংগাসের স্পট থাকা চলবে না। সব ফুল ফঁটে গেছে, এরকম অর্কিডের চেয়ে দু-একটি কলি রয়েছে এরকম অর্কিড গাছ কেনাই শ্রেয়। সব ফুল ফোটা থাকলে, ফুলের আয়ুকাল বোঝা যায় না। পাত্র যেন পরিষ্ক্রা পরিচ্ছন্ন থাকে। টবের গায়ে শ্যাওলা থাকলে পরিষ্কার করে দিতে বলুন বিক্রেতাকে।

(৩) কেনার সময় বিক্রেতার সাথে দরকষাকষি করুন। কখনও একদামে কিনবেন না।

অর্কিড কি পরগাছা জাতীয় গাছ ?

অর্কিড পরগাছা নয় । অর্কিড পুরানো গাছ, পাথর খন্ড বা গাছের ডাল আঁকড়ে ধরে আদ্রতা শুষে নেয়। অর্কিড পানি,বাতাস ও আলো থেকে খাবার তৈরী করে। অর্কিডকে যে গাছ ধারন করে, তা মরে যায় না।এ থেকেই প্রমাণিত হয় অর্কিড পরগাছা নয়।

অর্কিড পালন কি খুবই কঠিন ?

আপনার যদি একখন্ড খোলা বারান্দা বা ছাদ থাকে , তাহলে খুব সহজেই অর্কিড চাষ করা যায়।
অর্কিড চাষের জন্য প্রয়োজন আলো, বাতাস আর তরল সার আর যতœ। নিয়মকানুন সঠিকভাবে
জানলে অর্কিড সহজেই চাষ করা যায়।

আমাদের দেশে কোন অর্কিডগুলো জনপ্রিয়?

আমাদের দেশে বনে-বাদাড়ে আম, বেল, জাম,তেতুল ও বিশাল আকারের পুরানো রেইনট্রি-তে দেশী অর্কিড ঝুলে থাকতে দেখা যায়। দেশী অর্কিডের মধ্যে রয়েছে ভ্যান্ডা,পিয়েরারডি,ভ্যান্ডাটারেট,এরাডাউস,ফক্সটেইল। এই অকিডগুলো বাগানের বেড়া দেওয়ার জন্য আর্দশ।মার্চ মাস থেকে ফুল ফোঁটা শুরু হয়।

বিদেশী অর্কিডগুলোর মধ্যে রয়েছে ক্যাটালিয়া, অনসোডিয়াম,ভ্যান্ডা,ফেলোনপসিস,ড্যান্সিংডল ইত্যাদি। 

অর্কিড  কি জংগলী ফুল?

বেশ কিছু অর্কিড এসেছে জংগল থেকে। বিভিন্ন দেশে তাদের নিজস্ব অর্কিড আছে। থাইল্যান্ড,মালয়েশিয়া,ভারত,ভূটান,বাংলাদেশের নিজস্ব অর্কিড রয়েছে।
আমেরিকা, অষ্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড-এর নিজস্ব অর্কিড রয়েছে।



Tuesday, November 1, 2016

মোকারা অর্কিড লালন পালন ও পরিচর্যা

মোকারা একটি হাইব্রিড অর্কিড। বাংলাদেশে ড্যানড্রবিয়ামের পর মোকারা অর্কিড বেশ জনপ্রিয়। এই অর্কিড লালন পালন ও পরিচর্যা বেশ সহজ । নাসারীতে একটি  পূর্ণবয়স্ক ফুল ধরা অর্কিডের দাম ৬০০ থেকে ৮০০ টাকার মধ্যে। ঠিক মতো পরিচর্যা করতে পারলে সারা বছরই ফুল দেয়। মোকারা অর্কিড কেনার সময় এর মূল ও ফুলের দিকে লক্ষ্য রাখতে হবে । মূল যেন সু®হ্য সবল থাকে। ফুল সহ অর্কিড কেনাই ভাল।



ঘরে ও অফিসে সহজেই মোকারা অর্কিড পালন করা যায়। সাধারণত পূর্বমুখী জানালার পাশে রাখতে পারলে সবচেয়ে ভাল হয়। ভোরের প্রথম কিরনে এই অর্কিড জীবণীশক্তি লাভ কওে ।

তাপমাত্রা : এই অর্কিড দিনের বেলায় বেশী তাপ সহ্য করতে পারে না । দিনের বেলায় সাধারণত ১৮ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড এবং রাতের বেলায় ১৩ ডিগ্রিী সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রা এই অর্কিডের জন্য আর্দশ। বাংলাদেশে সাধারণত শীতকালে এই তাপমাত্রা থাকে। চিন্তার কারণ নেই, বাংলাদেশের তাপমাত্রাও এই অর্কিডের জন্য সহনীয়। আর্দ্রতা বেশ পছন্দ মোকারা অর্কিডের। ৮০% আদ্রতা এই অর্কিডের জন্য আর্দশ।




পানি দেওয়া: অন্যান্য প্রজাতির অর্কিডের চেয়ে মোকার পানি একটু বেশী লাগে। সকালে পানি দিন। বেশ কয়েক মিনিট ধরে গাছের শিকড় পানি দিয়ে ভিজিয়ে দিন। গরমকালে সপ্তাহে বেশ কয়েকবার পানি দিতে হবে। চারা গাছে পানি দেওয়ার খেয়াল রাখতে হবে যেন শিকড়ে পানি জমে না থাকে। শীতকালে পানির প্রয়োজন কম পড়ে। তবুও হাত দিয়ে শিকড স্পর্শ করলে যদি শুকনো মনে হয়, তাহলে পানি দিতে হবে।

সার : সার প্রযোগে এই প্রজাতির অর্কিডের বৃদ্ধি ভাল হয়। গরমের সময় সপ্তাহে একদিন সার দেওয়া ভালো। শীতকালে দুই বা তিন সপ্তাহ পরপর সার দেওয়া যেতে পারে, কারণ শীতকালে অর্কিডের বৃদ্ধি কম হয়। ২০ ভাগ নাইট্রোজেন(ইউরিয়া), ২০ ভাগ ফসফরাস ও ২০ ভাগ পটাশিয়ামের তরল মিশ্রন এই অর্কিডের জন্য আর্দশ। সার দেওয়ার সময় বোতলের লেবেলের নির্দেশাবলী অনূসরণ করুন।

পট বা টব পাল্টানো: মোকারা অর্কিড শিকড় নাড়াচাড়া পছন্দ করে না। কিন্তুু শিকঁড় যদি পটের বাইরে চলে যায় অথবা মিডিয়া যদি পুরানো ও ভেঙে যায় তাহলে সে ক্ষেত্রে পট পাল্টানো জরুরী। টব বড় হলে ভাল হয়।


Monday, October 31, 2016

পৃথিবীর সবচেয়ে দামী অর্কিড

পৃথিবীতে প্রায় ২০.০০০ প্রজাতির অর্কিড রয়েছে । কিন্তু পৃথিবীর সবচেয়ে দামী অর্কিড কোনটি?  সাধারণত দামী অর্কিড মাত্রই দুলর্ভ অর্কিড। পৃথিবীর সবচেয়ে দামী অর্কিডের নাম রথচাইল্ডস ল্যাডি সিøপার। দুলর্ভ অর্কিড সংগ্রহকারীরা এই অর্কিডের দাম নিয়ে মাথা ঘামায় না । এই অর্কিডের একটি স্টেমের (ফুলসহ ডাল) দামীই ৬০০০ মার্কিন ডলার। এই অর্কিড জন্মাতে ও ফুল ফোটাতে ১৫ বছরের বেশী সময় লাগে। রথচাইল্ডস ল্যাডি সিøপার অর্কিড ফুলের সৌন্দর্য অতুলনীয়। এই অর্কিড অত্যন্ত দুর্লভ।


Rothschild’s Slipper
মালয়েশিয়ার সাবাহ প্রদেশে এই অর্কিডের  ®হানীয় নাম ‘সুমাজু’ । সাবাহ প্রদেশের একটি আঞ্চলিক নাচের নাম ‘সুমাজু’। অর্কিড ফুলটির দুই দিকে দুইটি প্রসারিত ও আন্দোলিত পাপঁড়ি দেখলে সুমাজুর নৃতরত রমনীর মতো লাগে। পাপঁড়িতে সাদা ফুটকি রয়েছে। স্টেম বা ডাল লাল রঙের। ডালে তিন থেকে চারটি ফুল ধরে,অবশ্য ৬টি ফুলও ধরতে দেখা যায়।।

১৯৮৭ সালে  রথচাইল্ডস মালয়েশিয়ার কিনাবালু রেইনফরেষ্ট-এ এই অর্কিড আবিষ্কার করেন। সমুদ্রপৃ®ঠ হতে ৫০০ থেকে ১২০০ মিটার উচ্চতায় এই অর্কিড জন্মায়, তাছাড়া মরা নদী ও কিøফের আশেপাশে মরা পাতা ও ডালপালায় এই অর্কিড জন্মায়। 

বৈজ্ঞানিক নাম :  Paphiopedilum rothschildianum

অন্যান্য জনপ্রিয় নাম: কিনাবালুর স্বর্ণ ।

Tuesday, October 25, 2016

সুন্দরবনের বুনো অর্কিড


পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবন । সুন্দরবনে প্রায় ১৭ টি বিভিন্ন প্রজাতির অর্কিড পাওয়া যায়। গাছের উচুঁ ডালে ঝুলে থাকে অনিন্দ্য সুন্দর অর্কিড। আসুন কিছুক্ষণ অনুভব করি এইসব বুনো অর্কিডের সৌন্দর্য।

Acampe ochracea

Acampe papillosa
 Acampe rigida
Bulbophyllum roxburghii
Dendrobium anceps
 Dendrobium aphyllum
Geodorum densiflorum
 Oberonia gammiei

 
Platenthera insectifera
Trias oblonga
 Vandopsis gigantea